আমরা শুধু একটা বেটিং সাইট নই — আমরা বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ খেলাপ্রেমীর সাথে একটা দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই। নিরাপত্তা, স্বচ্ছতা ও সেবার মান — এই তিনটিই আমাদের মূল ভিত্তি।
কেন আমরা এই কাজ করছি এবং কোথায় যেতে চাই
বাংলাদেশের প্রতিটি খেলাপ্রেমীকে একটি নিরাপদ, স্বচ্ছ ও আনন্দময় বেটিং অভিজ্ঞতা দেওয়া। 22betxz চায় যে প্রতিটি ব্যবহারকারী যখন প্ল্যাটফর্মে আসেন, তখন তিনি শুধু বেট রাখার জায়গা নয়, একটি বিশ্বস্ত সঙ্গী পান।
২০৩০ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম হওয়া। আমরা বিশ্বাস করি প্রযুক্তি ও মানুষের বিশ্বাসের সমন্বয়েই সত্যিকারের সেরা সেবা তৈরি হয়।
ব্যবহারকারীর অর্থের নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা এবং দায়িত্বশীল গেমিং নিশ্চিত করা। 22betxz-এ আসা মানে একটা বিশ্বস্ত সম্পর্কের শুরু — শুধু একটা লেনদেন নয়।
ছয়টি কারণ যা আমাদের অন্যদের চেয়ে আলাদা করে
22betxz-এ ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন ব্যবহার করা হয়। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ও অর্থ সম্পূর্ণ সুরক্ষিত। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মান মেনে চলা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। তাই 22betxz-এর পুরো প্ল্যাটফর্ম মোবাইলের জন্য অপ্টিমাইজড। ধীর নেটওয়ার্কেও অ্যাপ স্বাভাবিকভাবে চলে।
বিকাশ, নগদ ও রকেটের মাধ্যমে সরাসরি ডিপোজিট ও উইথড্র করুন। বিদেশি কার্ড বা জটিল পেমেন্ট পদ্ধতির ঝামেলা নেই — বাংলাদেশের মানুষের জন্য সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি।
22betxz-এর ইন্টারফেস, কাস্টমার সাপোর্ট ও সব নির্দেশিকা বাংলায় পাওয়া যায়। ইংরেজি না জানলেও কোনো সমস্যা নেই — আমরা আপনার ভাষায় কথা বলি।
ম্যাচ চলাকালে প্রতি ৩০ সেকেন্ডে অডস আপডেট হয়। 22betxz-এর লাইভ বেটিং প্ল্যাটফর্ম এশিয়ার অন্যতম দ্রুততম। লাইভ স্কোর ও পরিসংখ্যানও পাশাপাশি দেখা যায়।
সপ্তাহের সাত দিন, চব্বিশ ঘণ্টা লাইভ চ্যাট সাপোর্ট উপলব্ধ। যেকোনো সমস্যায় বাংলায় কথা বলুন — গড়ে ৩ মিনিটের মধ্যে সাড়া পাবেন।
২০১৮ সালে যখন 22betxz-এর যাত্রা শুরু হয়েছিল, তখন বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং একটা অপরিচিত জায়গা ছিল। বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম বিদেশি — ইংরেজিতে, বিদেশি পেমেন্টে, বিদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য বানানো। বাংলাদেশের একজন সাধারণ মানুষ যিনি ক্রিকেট ভালোবাসেন, ফোনে বিকাশ ব্যবহার করেন, বাংলায় কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন — তাঁর জন্য কোনো জায়গা ছিল না।
সেই ফাঁকটাই পূরণ করতে চেয়েছিল 22betxz। শুরুটা ছোট ছিল — মাত্র কয়েকটা স্পোর্টস ক্যাটাগরি, একটা সহজ মোবাইল ইন্টারফেস, আর বাংলায় কাস্টমার সাপোর্ট। কিন্তু ব্যবহারকারীরা দ্রুত বুঝতে পারলেন এটা অন্যরকম। টাকা পাঠানো সহজ, জেতার টাকা দ্রুত ফেরত পাওয়া যাচ্ছে, সমস্যা হলে বাংলায় কথা বলা যাচ্ছে — এই তিনটা জিনিসই মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়তে সময় লাগল না।
২০২০ সালের মধ্যে 22betxz-এর ব্যবহারকারী সংখ্যা এক লক্ষ ছাড়িয়ে গেল। সেই বছরই বিকাশের পাশাপাশি নগদ ও রকেট যুক্ত হলো। IPL বন্ধ থাকলেও মানুষ অন্য স্পোর্টসে বেট করতে শুরু করল — ফুটবল, টেনিস, ভার্চুয়াল স্পোর্টস। 22betxz বুঝল এখন আর শুধু ক্রিকেটের প্ল্যাটফর্ম নয়, পূর্ণাঙ্গ স্পোর্টস বেটিং হাব হওয়ার সময় এসেছে।
২০২২ সালে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ লঞ্চ হলো। তারপর iOS। অ্যাপের লো-ডেটা মোড বিশেষভাবে বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলের ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে বানানো হয়েছিল — যেখানে ইন্টারনেটের গতি সবসময় একরকম থাকে না। 3G সংযোগেও 22betxz অ্যাপ মসৃণভাবে চলে।
আজ 22betxz-এ পাঁচ লক্ষেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য আছেন। প্রতি সপ্তাহে পাঁচ হাজারের বেশি ইভেন্টে বেটিং করার সুযোগ থাকে। ৩০টিরও বেশি স্পোর্টস ক্যাটাগরি, শত শত লিগ ও টুর্নামেন্ট। কিন্তু এই বৃদ্ধির মধ্যেও একটা জিনিস পরিবর্তন হয়নি — মানুষকে প্রথমে রাখার প্রতিশ্রুতি।
22betxz বিশ্বাস করে প্রযুক্তি মানুষের জীবন সহজ করার জন্য, জটিল করার জন্য নয়। তাই আমাদের প্ল্যাটফর্মের প্রতিটি ফিচার ডিজাইন করার আগে একটাই প্রশ্ন করা হয়: বাংলাদেশের একজন সাধারণ মানুষ কি এটা সহজে বুঝতে ও ব্যবহার করতে পারবেন? যদি উত্তর না হয়, তাহলে সেই ফিচার পুনরায় ডিজাইন করা হয়।
আমাদের ডেভেলপমেন্ট টিম প্রতি সপ্তাহে আপডেট প্রকাশ করে। প্রতিটি আপডেটে সাধারণত ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাক থেকে আসা উন্নতি থাকে। 22betxz-এ একটা ফিডব্যাক সিস্টেম আছে যেখানে ব্যবহারকারীরা সরাসরি সাজেশন দিতে পারেন — এবং সেই সাজেশনগুলো সত্যিই বিবেচনা করা হয়।
বেটিং আনন্দের হওয়া উচিত, আর্থিক চাপের নয়। 22betxz এই বিশ্বাস থেকেই দায়িত্বশীল গেমিং ফিচারগুলো তৈরি করেছে। প্রতিটি অ্যাকাউন্টে দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক ডিপোজিট লিমিট সেট করার সুবিধা আছে। যদি কখনও মনে হয় বেটিং নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে, তাহলে অ্যাকাউন্ট সাময়িক বা স্থায়ীভাবে বন্ধ করার অপশনও আছে।
22betxz শুধু ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সের মানুষদের জন্য। বয়স যাচাইয়ের প্রক্রিয়া কঠোর। আমরা বিশ্বাস করি একটা টেকসই ও বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম তখনই তৈরি হয় যখন দায়িত্বশীলতাকে ব্যবসার মূলে রাখা হয়।
যে নীতিগুলো আমাদের প্রতিটি সিদ্ধান্তে পথ দেখায়
প্রতিটি কাজে স্বচ্ছতা ও সততা বজায় রাখা।
ব্যবহারকারীর তথ্য ও অর্থ সুরক্ষা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
দ্রুত পেমেন্ট, দ্রুত সাপোর্ট, দ্রুত সেবা।
দায়িত্বশীল গেমিং নিশ্চিত করা আমাদের কর্তব্য।
প্রযুক্তিতে সর্বদা এগিয়ে থাকার প্রচেষ্টা।
ব্যবহারকারীর সন্তুষ্টিই আমাদের সাফল্যের মাপকাঠি।
শুরু থেকে এখন পর্যন্ত
বাংলাদেশের বাজারে প্রথম বাংলা ভাষায় স্পোর্টস বেটিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আত্মপ্রকাশ। শুরুতে ক্রিকেট ও ফুটবল — দুটো স্পোর্টস ক্যাটাগরি নিয়ে কাজ শুরু।
দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বিকাশ যুক্ত হলো। ডিপোজিট ও উইথড্র প্রক্রিয়া আরও সহজ হলো। ব্যবহারকারী সংখ্যা ৫০,০০০ ছাড়াল।
দুটো নতুন মোবাইল পেমেন্ট পদ্ধতি যুক্ত হলো। লাইভ বেটিং ফিচার চালু হলো। স্পোর্টস ক্যাটাগরি বেড়ে দাঁড়াল ১৫-এ। সদস্য সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়াল।
Android ও iOS অ্যাপ প্রকাশিত হলো। লো-ডেটা মোড যুক্ত হলো গ্রামাঞ্চলের ব্যবহারকারীদের জন্য। ক্যাশআউট ফিচার চালু হলো।
নিবন্ধিত সদস্য সংখ্যা পাঁচ লক্ষ ছাড়াল। ই-স্পোর্টস বিভাগ চালু হলো। 22betxz দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বড় অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে স্বীকৃত হলো।
বিশ্লেষণ বিভাগ চালু হলো যেখানে ব্যবহারকারীরা পরিসংখ্যান ও ভবিষ্যদ্বাণী পাবেন। পুনর্গঠিত বোনাস সিস্টেম আনা হলো নতুন ও পুরনো সদস্যদের জন্য।
22betxz শুধু কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। নিচের অঙ্গীকারগুলো আমাদের প্রতিদিনের কাজের মধ্যে প্রতিফলিত হয়।
22betxz আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে পরিচালিত হয়। আমাদের নিরাপত্তা কাঠামো সম্পর্কে জানুন।
যারা 22betxz-কে প্রতিদিন এগিয়ে নিয়ে চলেন
১৫ বছরের অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা সম্পন্ন। দক্ষিণ এশিয়ার বাজারে বিশেষ দক্ষতা রাখেন।
মোবাইল প্রযুক্তি ও সাইবার নিরাপত্তায় বিশেষজ্ঞ। 22betxz অ্যাপের মূল ডিজাইনার।
ক্রিকেট ও ফুটবল বিশ্লেষণে দশ বছরের অভিজ্ঞতা। বেটিং মার্কেট কৌশল পরিকল্পনা করেন।
বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের সমস্যা বোঝেন ও সমাধান করেন। ৫০ সদস্যের সাপোর্ট টিম পরিচালনা করেন।